১৮.৫৭% ডিসকাউন্টে পাচ্ছেন মাত্র ২৮৫০ টাকায়
অর্ডার করতে সঠিক তথ্য দিয়ে নিচের ফর্মটি পূরন করুন
এখন থেকে নিয়মিত প্রেশার চেকআপ করুন খুব সহজে এবং নির্ভুল ভাবে ‘BP Care – বাংলা’ ব্লাড প্রেশার মনিটরের সাথে। যে কোন সময়, যে কোন জায়গায়।
প্রচণ্ড মাথা ব্যথা করা, মাথা গরম হয়ে যাওয়া এবং মাথা ঘোরানো
ঘাড় ব্যথা করা
বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
অল্পতেই রেগে যাওয়া বা অস্থির হয়ে শরীর কাঁপতে থাকা
রাতে ভালো ঘুম না হওয়া
মাঝে মাঝে কানে শব্দ হওয়া এবং অনেক সময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলা
এসব লক্ষণ দেখা দিলে নিয়মিত প্রেশার চেকআপ করতে হয়। আর আপনার এই প্রেশার চেকআপের সহজ সমাধান হতে পারে ‘BP Care – বাংলা’ ব্লাড প্রেশার মনিটর।
একটি স্মার্ট ফোনেরথেকেও একটি স্মার্ট প্রেশার মাপা মেশিন হতে পারে, আপনার আপনজনের জন্য সেরা উপহার
কারণ-
যাদের বাড়িতে বয়স্ক মা-বাবা আছে, যারা নিয়মিত প্রেশারের ওষুধ খান, তাদের জন্য বাড়িতে একটি ভাল মানের প্রেশার মেশিন খুবই প্রয়োজন।
গর্ভকালীন সময়ে নিয়মিত প্রেশার চেকআপ করতে হয়। বাড়িতে প্রেশার মেশিন থাকলে, একজন গর্ভবতী মা সহজেই নিজের প্রেশার চেক করতে পারবেন।
যেকোনো সময়ে, যেকোনো জায়গায়, খুব সহজেই, নিজেই নিজের প্রেশার মাপা যায়।
একটি পরিবারের জন্য একটি প্রেশার মেশিন’ই যথেষ্ট।
শুধুমাত্র প্রেশার মাপার জন্য ডাক্তারের চেম্বারে বা ওষুধের দোকানে যাবার প্রয়োজন নেই।
বাড়িতেই প্রেশার চেক করে অনলাইনে অথবা পরিচিত ডাক্তারের কাছ থেকে দ্রুত পরামর্শ নেয়া সহজ হয়।
আমাদের মেশিন সব থেকে আপডেট ও আধুনিক। একুরেট (নির্ভুল) রেজাল্ট পাবেন।
হাতের কব্জিতে পরতে হয়। তাই নিজেই পরতে ও খুলতে পারবেন, কারো সাহায্যের প্রয়োজন হবে না।
বাংলা ভাষা বলায় সহজেই সব বয়সের মানুষ বুঝতে পারবে। বিশেষ করে বয়স্কদের বুঝতে সুবিধা হবে।
স্মার্ট টাচ বাটন, এক টাচেই প্রেশার মাপতে পারবেন। কভারের ভিতরে টাচ সেন্সর, তাই নষ্ট হবার ভয় নেই।
এর ভিতরে বিল্ট-ইন লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি দেয়া আছে, তাই বারবার ব্যাটারি কেনার ঝামেলা নেই। আপনার মোবাইলের চার্জার দিয়েই চার্জ দিতে পারবেন।
আকারে অনেক ছোট, তাই সহজেই সাথে নিয়ে ভ্রমণ করা যাবে।
হ্যা। আমাদের মেশিনে আপনি একদম একুরেট (নির্ভুল) রেজাল্ট পাবেন। বিপি কেয়ার বাংলা প্রেশার মেশিন দিয়ে প্রেশার মাপলে, ডিজিটাল ব্লাড প্রেশার মেশিন সম্পর্কে আপনার ধারণাই পাল্টে যাবে। প্রেশার মাপার আগে কমপক্ষে ৫ মিনিট রেস্ট নিতে হবে। অবশ্যই বাম হাতে প্রেশার মাপতে হবে। হাত বুকের কাছে অথবা বুক বরাবর(হার্ট লেভেল বরাবর) রেখে মাপতে হবে। বসে প্রেশার মাপতে হবে। শুয়ে অথবা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় প্রেশার মাপা যাবে না।
একবার চার্জ দিয়ে সাধারণত ১০০ বার প্রেশার মাপা যাবে। তবে স্পিকার অন করে প্রেশার মাপলে ৩০-৪০ বার প্রেশার মাপা যাবে।
অর্ডার করতে আপনার নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
আমাদের মেশিনের টাচ বাটন, আর্থিং সিস্টেম। তাই টাচস্ক্রীন বাটন নষ্ট হবার কোন ভয় নেই।
বর্তমান সময়ে লক্ষ্য করলে দেখবেন, স্মার্ট ফোনে ফিক্সড লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ব্যাটারি সহজে নষ্ট হয় না। তারপরেও নষ্ট হলে মার্কেট থেকে অথবা আমাদের কাছ থেকে নিতে পারবেন।
আমরা আপনাকে দিচ্ছি ১ বছরের ওয়ারেন্টি সার্ভিস।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অঙ্গে জটিলতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ থেকে হৃদযন্ত্রের পেশি দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং এর ফলে দুর্বল হৃদযন্ত্র রক্ত পাম্প করতে না পেরে ব্যক্তির হৃতপিণ্ড কাজ বন্ধ করতে পারে বা হার্ট ফেল করতে পারে।
এছাড়া, এমন সময় রক্তনালীর দেয়াল সঙ্কুচিত হয়ে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও থাকে।
উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, মস্তিষ্কে স্ট্রোক বা রক্তক্ষরণও হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে।
আর বিশেষ ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের কারণে রেটিনায় রক্তক্ষরণ হয়ে একজন মানুষ অন্ধত্বও বরণ করতে পারেন।
যাদের ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের কারণ নির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব হয় না, তাদের ক্ষেত্রে সেটিকে প্রাইমারি বা এসেনশিয়াল ব্লাড প্রেশার বলা হয়ে থাকে।
“উচ্চ রক্তচাপের সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হলো, অনেক সময়ই উচ্চ রক্তচাপের কোনো প্রাথমিক লক্ষ্মণ দেখা যায় না। লক্ষ্মণ না থাকলেও দেখা যায় শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে এবং রোগী হয়তো বুঝতেই পারেন না যে তার মারাত্মক শারীরিক ক্ষতি হচ্ছে।”
অপেক্ষাকৃত বয়স্ক মানুষের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বেশি দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে বলে বয়স ৪০ হওয়ার পর থেকে কয়েক মাস অন্তর ব্লাডপ্রেশার মাপা দরকার।
আর যারা দীর্ঘ দিন ধরে রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের প্রতি সপ্তাহে একবার প্রেশার মেপে দেখা উচিত।